ছবিগুলো
দেখে যদি ভাবেন ভারতের এই মেয়েরা ধর্ষণের হাত থেকে বাচার জন্য প্রশিক্ষণ
নিচ্ছে, তবে ভুল করবেন।এই মেয়েরা সামরিক শিক্ষা নিচ্ছে কিভাবে তাদের শত্রু
মুসলমানদের হত্যা করতে হয়।
এ বাহিনীর নাম ‘দুর্গা বাহিনী’। দুর্গা বাহিনী হচ্ছে উগ্রহিন্দুত্ববাদী ‘বিশ্ব হিন্দু পরিষদ’র মহিলা ফাইটার। ১৯৯১ সালে এই বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি প্রতিষ্ঠা করার পরপরি ‘বাবরি মসজিদ’ ধ্বংস করা হয়।। মুসলিম নিধনে দাঙ্গার সময় উগ্র হিন্দু নারীদের সাহায্য নিতেই এ বাহিনী গঠন। ১৯৯২ বা ২০০২ এর মত বড় দাঙ্গাগুলোতে অতি সাফল্যে সাথে এই ‘দুর্গা বাহিনী’ মুসলিম নিধন করেছিল এবং পুরুষ হিন্দুদের সাথে যুদ্ধ করেছিল।মুসলিম নিধনকারী অন্যতম মহিলা খুনি ‘সাধ্বী ঋতাম্বরা’।
এ বাহিনীর নাম ‘দুর্গা বাহিনী’। দুর্গা বাহিনী হচ্ছে উগ্রহিন্দুত্ববাদী ‘বিশ্ব হিন্দু পরিষদ’র মহিলা ফাইটার। ১৯৯১ সালে এই বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি প্রতিষ্ঠা করার পরপরি ‘বাবরি মসজিদ’ ধ্বংস করা হয়।। মুসলিম নিধনে দাঙ্গার সময় উগ্র হিন্দু নারীদের সাহায্য নিতেই এ বাহিনী গঠন। ১৯৯২ বা ২০০২ এর মত বড় দাঙ্গাগুলোতে অতি সাফল্যে সাথে এই ‘দুর্গা বাহিনী’ মুসলিম নিধন করেছিল এবং পুরুষ হিন্দুদের সাথে যুদ্ধ করেছিল।মুসলিম নিধনকারী অন্যতম মহিলা খুনি ‘সাধ্বী ঋতাম্বরা’।
সম্প্রতি বিজেপি বলেছে তারা বাংলাদশের এক তৃতীয়াংশ দখল করে নিবে।ভারত থেকে
মুসলিমদের বের করে দিবে।বিজেপি প্রধান নরেন্দ্র মুদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার
পথে। ইতিপূর্বে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকা কালে মুসলিমদের উপর কি অমানবিক
নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে নিশ্চয় জানেন।
প্রধানমন্ত্রী হয়ার পর এই কুত্যা বাংলাদেশের প্রতি কালো থাবা মারতে চাইবে এতে কোন সন্দেহ নেই।তখন এসকল নিজ হাতে গড়া বাহিনির সাথে সে রাষ্ট্রীয় বিএস,এফ সেনবাহীনি পাবে।
আজকের কলম জহাদি যারা অস্ত্রের জিহাদকারীদের জঙ্গী সন্ত্রাসী বলে তারা কি পারবে সেদিন এই বাহিনির বিরুধ্যে লড়তে?
লং মার্চ রাস্তায় আন্দোলন কারীরা কি পারবে সেদিন এই বাহিনীর লড়াই করতে?
আপনার কি মনে হয়?
সেদিন যদি কেউ প্রতিরোধ করে তবে তারা হবে এই আজকের দিনের অস্ত্রের জিহাদি কিংবা যারা জিহাদ করতে মনে মনে মুখিয়ে আছে।যারা শহিদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষায় মসগুল
যদি বুঝে থাকেন তবে সমস্ত ভন্ডদের প্রত্যাগ করে তাদের কাতারে শামিল হোন শামিল হোন যারা আপনার কিংবা উম্মাহর বিপদের দিনের কান্ডারি হবে
প্রধানমন্ত্রী হয়ার পর এই কুত্যা বাংলাদেশের প্রতি কালো থাবা মারতে চাইবে এতে কোন সন্দেহ নেই।তখন এসকল নিজ হাতে গড়া বাহিনির সাথে সে রাষ্ট্রীয় বিএস,এফ সেনবাহীনি পাবে।
আজকের কলম জহাদি যারা অস্ত্রের জিহাদকারীদের জঙ্গী সন্ত্রাসী বলে তারা কি পারবে সেদিন এই বাহিনির বিরুধ্যে লড়তে?
লং মার্চ রাস্তায় আন্দোলন কারীরা কি পারবে সেদিন এই বাহিনীর লড়াই করতে?
আপনার কি মনে হয়?
সেদিন যদি কেউ প্রতিরোধ করে তবে তারা হবে এই আজকের দিনের অস্ত্রের জিহাদি কিংবা যারা জিহাদ করতে মনে মনে মুখিয়ে আছে।যারা শহিদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষায় মসগুল
যদি বুঝে থাকেন তবে সমস্ত ভন্ডদের প্রত্যাগ করে তাদের কাতারে শামিল হোন শামিল হোন যারা আপনার কিংবা উম্মাহর বিপদের দিনের কান্ডারি হবে
https://m.facebook.com/1416906295230940/photos/a.1417088238546079.1073741828.1416906295230940/1423160781272158/?type=1&stream_ref=10
#A NEWS
http://www.alkawsar.com/article/646
অথচ কোরআন আমাদের কে বলছে অস্ত্র থেকে গাফেল হয়েওনা !
সব সময় সাথে রাখো...
"যখন আপনি তাদের মধ্যে থাকেন, অতঃপর নামাযে দাঁড়ান, তখন যেন একদল দাঁড়ায় আপনার সাথে এবং তারা যেন স্বীয় অস্ত্র সাথে নেয়। অতঃপর যখন তারা সেজদা সম্পন্ন করে, তখন আপনার কাছ থেকে যেন সরে যায় এবং অন্য দল যেন আসে, যারা নামায পড়েনি। অতঃপর তারা যেন আপনার সাথে নামায পড়ে এবং আত্মরক্ষার হাতিয়ার সাথে নেয়। কাফেররা চায় যে, তোমরা কোন রূপে অসতর্ক থাক, যাতে তারা একযোগে তোমাদেরকে আক্রমণ করে বসে। যদি বৃষ্টির কারণে তোমাদের কষ্ট হয় অথবা তোমরা অসুস্থ হও তবে স্বীয় অস্ত্র পরিত্যাগ করায় তোমাদের কোন গোনাহ নেই এবং সাথে নিয়ে নাও তোমাদের আত্নরক্ষার অস্ত্র। নিশ্চয় আল্লাহ কাফেরদের জন্যে অপমানকর শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন। (৪:১০২)
আজ যদি কোন হুজুরের হাতে পিস্তল দেখি তাহলে হয়ত আমরা তার পিছনে নামাজ পড়ায় ছেড়ে দেব !
এরপরও আমরা মুসলমান দাবীদার !
“গাযওয়াতুল হিন্দ” আসিতেছে............মুসলিম উম্মাহর এক হওয়া এখন সময়ের দাবি।
https://www.facebook.com/notes/sabet-bin-mukter/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%83-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A7%87/871476542867940?ref=notif¬if_t=like
“গাযওয়াতুল হিন্দ” বলতে ইমাম মাহদি(আঃ) এবং ঈসা(আঃ) এর আগমনের কিছুকাল আগে অথবা সমসাময়িক সময়ে এই পাক-ভারত-বাংলাদেশে মুসলিম ও কাফিরদের মধ্যকার সংগঠিত যুদ্ধকে বুঝায়। “গাযওয়া” অর্থ যুদ্ধ, আর “হিন্দ” বলতে


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন