মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৪

বাবরি মসজিদ ধ্বংস মর্মান্তিক ইতিহাস

বাবরি মসজিদ ধ্বংস।।একটি মর্মান্তিক ইতিহাস

8 April 2014 at 19:06
আপনি পড়তে যাচ্ছেন একটি মগের মুল্লুক সমাচার।যেখানে জোর যার মুল্লুক তার।২২ বছর আগে ১৯৯২ সালের ০৬ ডিসেম্বর সভ্য জগতকে মর্মাহত করে ভারতের উত্তর প্রদেশের রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও স্থানীয় হিন্দুদের সহযোগিতায় ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদের অবমাননার পর তা মাটির সাথে মিশিয়ে দেয় বর্বর অসভ্য হিন্দুরা।১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ওই ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় ভারতে হিন্দু-মুসলিম জাতিগত দাঙ্গায় নিহত হয় দুই হাজারের বেশি লোক, যাদের বেশিরভাগই ছিল মুসলিম।







  


ভেঙে ফেলার আগে অযোধ্যার বাবরি মসজিদ


বাবরি মসজিদের জন্ম ১৫২৬ সালে পানিপথের যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করে ভারতবর্ষে পা রাখেন প্রথম মুঘল সম্রাট জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর। আরো কিছু অঞ্চল জয় করে ১৫২৭ সালে মধ্য-ভারত থেকে উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা অতিক্রমের সময় বাবর চিতোরগড়ের রানা সংগ্রাম সিংকে সিক্রিতে পরাস্ত করেন। অধিকৃত অঞ্চলে সেনাপতি মীর বাকিকে প্রশাসকের দায়িত্বে রেখে যান বাবর। সেনাপতি মীর বাকি ১৫৩৮ সালে অযোধ্যায় বাবরের নামে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। সেটিই বাবরের মসজিদ বা বাবরি মসজিদ নামে পরিচিত। তবে অনেকের মতে, বাবর নিজেই এ মসজিদ নির্মাণ করেন।১৫২৮ সালে নির্মিত এই মসজিদটি ছিল ভারি সুন্দর তিনটি গম্বুজ-শোভিত এবং চমতকার আরবী ও ফার্সি লিপি-খচিত মোঘল স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন।





জমি নিয়ে বিতর্ক

১৮৫৭ সালে ইংরেজদের বিরুধ্যে হিন্দু মুসলিম সহ সকল ধর্মের লোকেরা ইংরেজদের বিরুধ্যে বিদ্রহ করে।বিদ্রোহ দমাতে ইংরেজরা গুজব ছড়ায় বাবরি মসজিদের পাশে মন্দিরের আলামত খুজে পাওয়া গেছে।ব্রিটিশ কর্মকর্তা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধিয়ে বিদ্রোহ দমন করার উদ্দেশ্য নিয়ে এই দাবি বা কল্পনা নথিবদ্ধ করেন যে,  মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল একটি মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের ওপর আর অযোধ্যার ওই স্থানটি  নাকি হিন্দুদের দেবতা রামের জন্মভূমি।অথচ ইতি পূর্বে হিন্দু ঐতিহাসিকদের লিখিত রাজপুত-ইতিহাসেও কখনও এমন দাবি করা হয়নি।


ব্যাস জাতে মাতাল হিন্দুরা এটকুতেই দাঙ্গা বাধিয়ে দেয়।মসিজিদ নির্মাণের চারশ বছর পর ইংরেজদের উস্কানিতে মসজিদের জাগার মালিকানা দাবি করে বসে। দু’বছর শুধু এ নিয়েই দেন-দরবার চলতে থাকে।১৯০৫ সালের ফয়জাবাদ জেলা গেজেটে বলা হয়, ‘১৮৫৭ সাল থেকে হিন্দু ও মুসলিম উভয়েই স্থাপনাটি (মসজিদ) যার যার ধর্মীয় কাজে ব্যবহার করছিল। কিন্তু ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের পর প্রশাসন মসজিদের সামনে একটি বেষ্টনী তৈরি করে এবং হিন্দুদের মসজিদের ভেতরের আঙিনায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করে। হিন্দুরা এতে মসজিদের বাইরের আঙিনায় একটি বেদী স্থাপন করে পূজা করে।’ অর্থাৎ মসজিদের ভেতরের অংশ ব্যবহার করছিল মুসলিমরা আর বাইরের অংশ হিন্দুরা। এরপর হিন্দুরা ১৮৮৩ সালে বাইরের অংশের বেদীতে মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নিলে ১৮৮৫ সালে প্রশাসন তা স্থগিত করে। পরের বছর দু’দফা মন্দির নির্মাণের অনুমতি চাওয়া হলেও জেলা আদালত তা খারিজ করে দেয়। এতে হিন্দুদের আইনগত লড়াই প্রায় ফুরিয়ে যায়।এরপর থেকে মুসলিমরাই ব্যবহার করে আসছিল মসজিদটি



১৯৩৪ সালে আরেক দফা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় মসজিদটির চারপাশের দেয়াল ও একটি গম্বুজ ভেঙে ফেলা হয়। বৃটিশরা তা নির্মাণ করে। পরে মসজিদ ও তৎসংলগ্ন কবরস্থানকে ওয়াকফ হিসেবে রেজিস্ট্রি করা হয়। ওই সময় মুসলিমদের ওপর চালানো নির্যাতন ১৯৪৯ সালে লিপিবদ্ধ করেন ওয়াকফ পরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম। তিনি জানান, ‘মসজিদে যাতায়াতকারী মুসল্লিদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করা হতো। ছুড়ে মারা হতো জুতা ও পাথর। মুসলিমরা প্রাণভয়ে টু শব্দটিও করত না। এরপর ১৯৪৯ সালের ২২ ডিসেম্বর গভীর রাতে একদল হিন্দু সঙ্গোপনে রাম ও সীতার মূর্তি মসজিদের ভেতর প্রতিষ্ঠা করে। বলা হয়, মসজিদ প্রহরারত পুলিশ তখন ঘুমিয়ে ছিল। সকালে ৫-৬ হাজার হিন্দু বাদ্য-বাজনা বাজিয়ে মসজিদে ঢুকতে গেলে পুলিশ তাদের কোনোমতে ঠেকাতে সক্ষম হয়। স্থায়ীভাবে মসজিদের গেট বন্ধ করে দেয়া হয়।’


বাবরি মসজিদ ধ্বংস

১৯৪৯ সালে মসিজদের ভেতরে রামের মূর্তির রাখার পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওয়াহরলাল নেহরু মূর্তিগুলো সরানোর জন্য নির্দেশ দিলেও দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে তা অমান্য করেন। ১৯৮৪ সালে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ মসজিদের তালা খোলার জন্য জোর আন্দোলন শুরু করে। এরপর ১৯৮৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী খোলার নির্দেশ দেন। এতে মসজিদটি সব হিন্দুর জন্য উন্মুক্ত হয়ে যায়। এটি অনেকটাই মন্দিরে পরিণত হয়। এ ঘোষণার আগ পর্যন্ত সেখানে প্রতিষ্ঠিত মূর্তিগুলোর সামনে একজন পূজারী ব্রাহ্মণ কেবল একবার বার্ষিক পূজাপর্ব সম্পন্ন করতে পারতেন। ১৯৮৯ সালে সাধারণ নির্বাচনের আগে মসজিদের সামনে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের অনুমতি দেয়া হলে জাতিগত বিরোধ তুঙ্গে ওঠে। এর মধ্যেই বিজেপি নেতা এল কে আদভানি অযোধ্যার উদ্দেশে এক হাজার কিলোমিটার পথ ভ্রমণের এক রথযাত্রার উদ্বোধন করেন। এরপর বিজেপি ও আরএসএস বা করসেবকদের নেতৃত্বে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯২ মসজিদ ভাঙা হয় ।












প্রকাশ্য দিবালোকে মসজিদ ভাঙছে হিন্দুরা



মসজিদ ভেঙ্গে উল্লাস করছে হিন্দুরা


অপহরণ, হত্যা ও ধর্ষণঃ

মসজিদ ভাঙ্গার খবর প্রকাশিত হলে সারা ভারতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে।বিজেপির নির্দেশে সারা ভারতে মুসলিম হত্যায় মেতে ওঠে হিন্দুরা।যেন মুসলিম হত্যার একটি উপলক্ষ খুজতেছিল তারা।উল্লেখ্য তখন বিজেপি ভারতের কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় ছিল।এখনকার নোরেন্দ্র মোদির মতই নরশিমা রাওনামের আরেক জানোয়ার ছিল প্রধানমন্ত্রী যে মুসলিমদের রক্তে গোসল করতে সাচ্ছন্দবোধ করত।দিল্লি ও তার আশে পাশে রাস্তা ঘাটে বাড়িতে যেখানে মুসলিম পাওয়া গেছে হত্যা করা হয়েছে।একাধারে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত চলে এ গণহত্যা।হিন্দুদের কাছে নিজেদের দরদি প্রমাণ করে ভোট পেতেই  যে মসজিদ ভাঙ্গা ও গণহত্যা বলার অপেক্ষা রাখে না।ভারতীয় হিন্দুবাদী মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে প্রায় দুই হাজার মুসলিম হত্যাকরা হয়েছে এ দাঙ্গায়।প্রকৃত সংখ্যা অনুমান করে নিন।






কারা জড়িত ছিল?

অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা হয়েছিল দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করেই, ১৯৯২ সালের ছয়ই ডিসেম্বর সেখানে জড়ো হওয়া কয়েক লক্ষ উগ্র হিন্দুত্ববাদী মানুষ আকস্মিকভাবে ওই মসজিদ ধ্বংস করেন নি।ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বোচ্চ নেতৃত্ব, এমনকী ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমহা রাও-ও সয়ং জড়িত ছিল মসজিদ ভাঙ্গার সাথে।বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে ফেলার জন্য রীতিমতো আত্মঘাতী দল তৈরি করা হয়েছিল, দেশীয় অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল আর সব পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে ডায়নামাইট দিয়ে বাবরি মসজিদ ধ্বংস করার পরিকল্পনা করেছিলেন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির নেতারা।


কারা ওই পরিকল্পনার কথা জানতেন, কীভাবে গুজরাতে প্রশিক্ষণ শিবির হয়েছিল – সবই ধরা পড়েছে গোপন ক্যামেরায়।  গোপন ক্যামেরায় রেকর্ড করা কথোপকথোনগুলি প্রকাশ করেছে, যে স্টিং অপারেশনের নাম তারা দিয়েছে অপারেশন জন্মভূমি।খবর বিবিসি বাংলা।বিস্তারিত দেখুন http://www.bbc.co.uk/bengali/news/2014/04/140404_mb_babri_mosque_planned_destruction.shtml


সাম্প্রতিক অবস্থাঃ ভারতের আদালত ধ্বংস-করে-দেয়া বাবরি মসজিদের জমির মাত্র এক তৃতীয়াংশ স্থানের ওপর একটি মসজিদ নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে এবং বিতর্কিত ওই রায়ে বাদবাকি স্থান একটি মন্দির নির্মাণের জন্য খালি রাখতে বলা হয়েছে।মসজিদ ভাঙ্গা পরবর্তী গণহত্যায় নিহত একজন মুসলিমও বিচার পায়নি।এই হচ্ছে ভারতীয় বিচার ব্যাবস্থা



মসজিদ ভাঙ্গার পর


গতকাল ২.৪.১৪ তকাপুরুষ হনুমান পুজারী হিন্দুদের নেতা নরেন্দ্রমোদি তার নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছে,বাবরী মসজিদের ভিটার উপর রাম মন্দির নির্মাণ করবে।মোদি নির্বাচিত হলে হইত তাই হবে।উল্লেখ্য এই মোদি গুজরাটে দাঙ্গা বাধিয়ে ৫ হাজার মুসলিম হত্যা করেছিল।





এই ভারত ৮ শ বছর মুসলামানের শাষণ করেছে।মুসলিমদের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ শাষকও মোদির মত এমন কুলাঙ্গার ছিল না।মুহাম্মাদ বিন কাসিমের মত মাহমুদ গজনবীর মত তার উত্তরসুরিরাও মোদির মত কুলাঙ্গারদের তরবারির আঘাতে দিখন্ডিত করে ভারতের বুকে আবারো কালেমার পতকা উড্ডয়ন করবে এই প্রত্যাশায় শেষ করছি






প্রাসঙ্গিক নোটঃ

ভারতে মুসলিম নির্যাতন ও গণহত্যার নির্মম ইতিহাস

ttps://www.facebook.com/notes/%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A6/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%AE-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8/439664022820636


কাশ্মীরে মুসলিম গণহত্যা ও নির্যাতনের নির্মম ইতিহাস

https://www.facebook.com/notes/%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%97-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A6/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%93-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%AE-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8/545024155617955 








সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৪

দুর্গা বাহিনী

ছবিগুলো দেখে যদি ভাবেন ভারতের এই মেয়েরা ধর্ষণের হাত থেকে বাচার জন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছে, তবে ভুল করবেন।এই মেয়েরা সামরিক শিক্ষা নিচ্ছে কিভাবে তাদের শত্রু মুসলমানদের হত্যা করতে হয়।
এ বাহিনীর নাম ‘দুর্গা বাহিনী’। দুর্গা বাহিনী হচ্ছে উগ্রহিন্দুত্ববাদী ‘বিশ্ব হিন্দু পরিষদ’র মহিলা ফাইটার। ১৯৯১ সালে এই বাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি প্রতিষ্ঠা করার পরপরি ‘বাবরি মসজিদ’ ধ্বংস করা হয়।। মুসলিম নিধনে দাঙ্গার সময় উগ্র হিন্দু নারীদের সাহায্য নিতেই এ বাহিনী গঠন। ১৯৯২ বা ২০০২ এর মত বড় দাঙ্গাগুলোতে অতি সাফল্যে সাথে এই ‘দুর্গা বাহিনী’ মুসলিম নিধন করেছিল এবং পুরুষ হিন্দুদের সাথে যুদ্ধ করেছিল।মুসলিম নিধনকারী অন্যতম মহিলা খুনি ‘সাধ্বী ঋতাম্বরা’।
সম্প্রতি বিজেপি বলেছে তারা বাংলাদশের এক তৃতীয়াংশ দখল করে নিবে।ভারত থেকে মুসলিমদের বের করে দিবে।বিজেপি প্রধান নরেন্দ্র মুদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে। ইতিপূর্বে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকা কালে মুসলিমদের উপর কি অমানবিক নির্যাতন ও গণহত্যা চালিয়েছে নিশ্চয় জানেন।
প্রধানমন্ত্রী হয়ার পর এই কুত্যা বাংলাদেশের প্রতি কালো থাবা মারতে চাইবে এতে কোন সন্দেহ নেই।তখন এসকল নিজ হাতে গড়া বাহিনির সাথে সে রাষ্ট্রীয় বিএস,এফ সেনবাহীনি পাবে।
আজকের কলম জহাদি যারা অস্ত্রের জিহাদকারীদের জঙ্গী সন্ত্রাসী বলে তারা কি পারবে সেদিন এই বাহিনির বিরুধ্যে লড়তে?
লং মার্চ রাস্তায় আন্দোলন কারীরা কি পারবে সেদিন এই বাহিনীর লড়াই করতে?
আপনার কি মনে হয়?
সেদিন যদি কেউ প্রতিরোধ করে তবে তারা হবে এই আজকের দিনের অস্ত্রের জিহাদি কিংবা যারা জিহাদ করতে মনে মনে মুখিয়ে আছে।যারা শহিদ হওয়ার আকাঙ্ক্ষায় মসগুল
যদি বুঝে থাকেন তবে সমস্ত ভন্ডদের প্রত্যাগ করে তাদের কাতারে শামিল হোন শামিল হোন যারা আপনার কিংবা উম্মাহর বিপদের দিনের কান্ডারি হবে












https://m.facebook.com/1416906295230940/photos/a.1417088238546079.1073741828.1416906295230940/1423160781272158/?type=1&stream_ref=10

#A NEWS

http://www.alkawsar.com/article/646


 অথচ কোরআন আমাদের কে বলছে অস্ত্র থেকে গাফেল হয়েওনা !
সব সময় সাথে রাখো...

"যখন আপনি তাদের মধ্যে থাকেন, অতঃপর নামাযে দাঁড়ান, তখন যেন একদল দাঁড়ায় আপনার সাথে এবং তারা যেন স্বীয় অস্ত্র সাথে নেয়। অতঃপর যখন তারা সেজদা সম্পন্ন করে, তখন আপনার কাছ থেকে যেন সরে যায় এবং অন্য দল যেন আসে, যারা নামায পড়েনি। অতঃপর তারা যেন আপনার সাথে নামায পড়ে এবং আত্মরক্ষার হাতিয়ার সাথে নেয়। কাফেররা চায় যে, তোমরা কোন রূপে অসতর্ক থাক, যাতে তারা একযোগে তোমাদেরকে আক্রমণ করে বসে। যদি বৃষ্টির কারণে তোমাদের কষ্ট হয় অথবা তোমরা অসুস্থ হও তবে স্বীয় অস্ত্র পরিত্যাগ করায় তোমাদের কোন গোনাহ নেই এবং সাথে নিয়ে নাও তোমাদের আত্নরক্ষার অস্ত্র। নিশ্চয় আল্লাহ কাফেরদের জন্যে অপমানকর শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন। (৪:১০২)

আজ যদি কোন হুজুরের হাতে পিস্তল দেখি তাহলে হয়ত আমরা তার পিছনে নামাজ পড়ায় ছেড়ে দেব !
এরপরও আমরা মুসলমান দাবীদার !

 
“গাযওয়াতুল হিন্দ” আসিতেছে............মুসলিম উম্মাহর এক হওয়া এখন সময়ের দাবি।

https://www.facebook.com/notes/sabet-bin-mukter/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%83-%E0%A6%8F%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4-%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A7%87/871476542867940?ref=notif&notif_t=like

“গাযওয়াতুল হিন্দ” বলতে ইমাম মাহদি(আঃ) এবং ঈসা(আঃ) এর আগমনের কিছুকাল আগে অথবা সমসাময়িক সময়ে এই পাক-ভারত-বাংলাদেশে মুসলিম ও কাফিরদের মধ্যকার সংগঠিত যুদ্ধকে বুঝায়।   “গাযওয়া” অর্থ যুদ্ধ, আর “হিন্দ” বলতে
 
 





শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৪

সৌদি রাজতন্ত্রের জন্ম একটি পুর্ণাঙ্গ ইতিহাস




Q: সৌদি রাজতন্ত্র আম্রিকার দালাল সেইটা কম বেশি সবাই জানে। বাই দা ওয়ে, এই গ্লাসে যে মদ বা এলকোহল যুক্ত পানীয় আছে সেইটা আপনারে কে কনফার্ম করলো? গ্লাস এর শেইপ দেইখাই কনফার্ম হইয়া গেলেন জনাব? 
A: গ্লাসে এলকোহল আছে এমন কথা স্টাটসে বলা হয় নি কোথাও,বাই দ্যা ওয়ে এলকোহল নাই আপনি কিভাবে নিশ্চিত হলেন? যে বুশের সাথে সাদা পানি খেতে পারে সে নীল পানিও খেতে পারে..